মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)

বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের গুরুদায়িত্ব নিয়ে এক সমন্বিত শক্তিরুপে ১৯৭২ সালের ১ মে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। তৎকালীন ওয়াটার এন্ড পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (ওয়াপদা) বিভক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে (ধারা ৫৯) এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।

গত সাড়ে চার দশক ধরে বাংলাদেশের জনগণের সেবায় নিয়োজিত এই প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৯৭২ সালের মাত্র ৩০০ মেগাওয়াট থেকে আজ ১৪ হাজার মেগাওয়াট অতিক্রম করেছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি যুক্ত করেছে বহুমুখী গ্রাহক সেবা। বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখে। বিকাশের ক্রমপর্যায়ে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ এবং দায়-দায়িত্বের সংযোজন-বিয়োজনের ধারায় বিউবোর বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার কিয়দংশ কয়েকটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেমন REB, DPDC, DESCO, NESCO, WZPDCL, PGCB, APSCL, EGCB NWPGCL, RPCL - এর নিকট হস্তান্তরিত হয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিউবো বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্প্রসারণের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। ২০২১ সালে দেশের সর্বমোট সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে ২৪,০০০ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালে সম্ভাব্য উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৪০,০০০ মেগাওয়াট।

 

বিউবো বর্তমান কার্যক্রম

  • একক ক্রেতা হিসাবে বিদ্যুতের ক্রয় ও বিক্রয়।

                  - সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়;

                  - বিতরণ সংস্থার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রয়;

                  - স্বল্প ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা প্রণয়ন;

                  - উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনার পাশাপাশি নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের বাস্তবায়ন;

  • বিদ্যুৎ উৎপাদন।

 

  • REB, DPDC, DESCO, NESCO, WZPDCL এর এলাকা ব্যতীত দেশের অন্যান্য অংশে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা।

 

গ্রাহক সেবা কেন্দ্র

বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র”-এ নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট/ বিল/মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পরিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

নতুন সংযোগ গ্রহণ

  • “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র” এবং বিউবো’র ওয়েব সাইটে নতুন সংযোগের আবেদনপত্র পাওয়া যাবে।
  • অনলাইন পোর্টাল এর প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান শেষে "SUBMIT" করা হলে একটি ট্র্যাকিং নাম্বার পাওয়া যাবে। এই ট্র্যাকিং নাম্বার আবেদনের পরবর্র্তী কাজে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহৃত হবে। সময় সময় এই রেফারেন্স এর আলোকে আবেদনের স্টেটাস ও পরবর্র্তী করণীয় সর্ম্পকে জানা যাবে। এর ধারাবাহিকতায় ডিমান্ডনোটের টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংক/বুথে জমা ও প্রয়োজনীয় করণীয় শেষে সংযোগ প্রদান কাজ সম্পন্ন হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভব না হয় তা কাজের ধারাবাহিকতায় কারণসহ জানা যাবে। এক ফেইজ সংযোগের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ডিজিটাল মিটার ক্রয় করে গ্রাহক জমা দেবেন। থ্রী ফেইজ সংযোগের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নির্দিষ্ট মানের মিটার সরবরাহ করা হয়। সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলে সিঙ্গেল ফেজ গ্রাহককে ৭ দিনে এবং থ্রিফেজ গ্রাহককে ২৮ দিনে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করা যাবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।
  • পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হয়।

 

বিল সংক্রান্ত অভিযোগ

বিল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ যেমনঃ অতিরিক্ত বিল, চলতি মাসের বিল না পাওয়া, বকেয়া বিল ইত্যাদির জন্য “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র”-এ যোগাযোগ করলে তাৎক্ষণিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিষ্পত্তি করা হয়। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দেয়া হবে এবং পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে। পরবর্তীতে উক্ত নম্বর উল্লেখপূর্বক যোগাযোগ করলে অভিযোগ নিষ্পত্তির সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

 

বিল পরিশোধ

  • “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র” সংলগ্ন ব্যাংক বুথ/ নির্ধারিত ব্যাংক-এ গ্রাহক তাঁর বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
  • প্রি-পেমেন্ট মিটারিং এর আওতাভুক্ত এলাকায় ভেন্ডিং সেন্টারে গিয়ে Card/ Charge/টোকেনসহ Slip সংগ্রহের মাধ্যমে আগাম বিল পরিশোধ (Recharge) করা যাবে।
  • ইলেকট্রনিক বিল পে Point of Sale (POS) এর মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে।

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিটের নির্দিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র অথবা “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র”-এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে গ্রাহককে একটি অভিযোগ নম্বর জানিয়ে দেয়া হয়। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ অপসারণপূর্বক বিদ্যুতের স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয়।

 

বিল অন ওয়েব

বিদ্যুৎ গ্রাহক বিউবো’র ওয়েবসাইট থেকে (www.bpdb.gov.bd অথবা 180.211.137.22:8991 ) চলতি মাসের বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহপূর্বক পরিশোধ করতে পারবেন। তাছাড়া, গ্রাহক বিল সংক্রান্ত সকল তথ্যাদি ওয়বেসাইট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন।

 

নতুন সংযোগের জন্য দলিলাদি

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

শ্রেণি-এলটি-এঃ  আবাসিক

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান/ ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি।

০৪। বৈধ ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সধারী ঠিকাদার কর্তৃক প্রদত্ত ইনস্টলেশন টেস্ট সার্টিফিকেট।

০৫। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৬। বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নক্সা।

০৭। সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোলার স্থাপনের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

শ্রেণি-এলটি-বিঃ সেচ/কৃষি কাজে ব্যবহৃত পাম্প

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান/ ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি।

০৪। বৈধ ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সধারী ঠিকাদার কর্তৃক প্রদত্ত ইনস্টলেশন টেস্ট সার্টিফিকেট।

০৫। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৬। সেচ কমিটির অনুমতি পত্র।

শ্রেণি-এলটি-সি ১ঃ  ক্ষুদ্র শিল্প

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান/ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি।

০৪। বৈধ ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সধারী ঠিকাদার কর্তৃক প্রদত্ত ইনস্টলেশন টেস্ট সার্টিফিকেট।

০৫। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৬। ট্রেড লাইসেন্স/নিবন্ধনপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

০৭। সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোলার স্থাপনের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

শ্রেণি-এলটি-ডিঃ শিক্ষা, ধর্মীয় দাতব্য প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, পানির পাম্প ব্যাটারি চার্র্জিং স্টেশন

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। বৈধ ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সধারী ঠিকাদার কর্তৃক প্রদত্ত ইনস্টলেশন টেস্ট সার্টিফিকেট।

০৪। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৫। প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধনপত্র/ কমিটির রেজুলেশনের কপি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

শ্রেণি-এলটি-ইঃ বাণিজ্যিক অফিস

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান/ ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি।

০৪। বৈধ ইলেকট্রিক্যাল লাইসেন্সধারী ঠিকাদার কর্তৃক প্রদত্ত ইনস্টলেশন টেস্ট সার্টিফিকেট।

০৫। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৬। বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নক্সা।

০৭। ট্রেড লাইসেন্স।

০৮। সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোলার স্থাপনের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

শ্রেণি-এমটি এইচটিঃ (১১ কেভি ৩৩ কেভি)

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান/ ভাড়ার চুক্তিপত্রের সত্যায়িত কপি।

০৪। বহুতল ভবনের ক্ষেত্রে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত নক্সা/ শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিবন্ধনপত্র।

০৫। ট্রেড লাইসেন্স/নিবন্ধনপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

০৬। গ্রাহকের লোডের বিবরণ।

০৭। বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শক কর্তৃক প্রদত্ত সনদ পত্র।

০৮। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

০৯। সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোলার স্থাপনের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

শ্রেণি-ইএইচটিঃ (১৩২/২৩০ কেভি)

০১। আবেদনকারীর ছবি-০২ (দুই) কপি পাসপোর্ট সাইজ।

০২। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (ঘওউ) সত্যায়িত কপি।

০৩। জমির মালিকানা দলিল/খতিয়ান ।

০৪। শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিবন্ধনপত্র।

০৫। ট্রেড লাইসেন্স (বাণিজ্যিক/শিল্পর ক্ষেত্রে)।

০৬। সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন ও মেমোরেন্ডাম অব আর্টিক্যালস এর কপি

০৭। বিনিয়োগ বোর্ডের অনুমোদন পত্র।

০৮। বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শক কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র।

০৯। গ্রাহকের লোডের বিবরণ।

১০। প্রস্তাবিত সংযোগের উপকেন্দ্রের নক্সা ও সংযোগের সম্ভাব্য অপশনসমূহের সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

১১। বিদ্যমান সংযোগের সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

১২। নতুন সংযোগ স্থলে পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের ফটোকপি।

১৩। সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোলার স্থাপনের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ।

 

সোলার প্যানেল স্থাপন

  • ২ কিলোওয়াট এর অধিক লোড সম্পন্ন আবাসিক গ্রাহকগণকে মোট চাহিদার ৩% লোডের জন্য সোলার প্যানেল বসানোর অনুরোধ জানানো হবে।
  • শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ৫০ কিলোওয়াট পর্যন্ত লোড বরাদ্দ প্রাপ্ত গ্রাহকদের শুধুমাত্র লাইট ও ফ্যান লোডের ৭%, ৫০ কিলোওয়াটের ঊর্ধ্বে লোড বরাদ্দ প্রাপ্ত গ্রাহকদের লাইট ও ফ্যান লোডের ১০% এবং পোষাক শিল্পের জন্য লাইট ও ফ্যান লোডের ৫% এর জন্য সোলার প্যানেল বসানোর অনুরোধ জানানো হবে।
  • বিদ্যমান গ্রাহকগণ যারা বরাদ্দকৃত লোড বৃদ্ধি করতে চান তাদেরকেও সমুদয় লাইট ও ফ্যান লোডের উপর উল্লিখিত হার অনুযায়ী সোলার প্যানেল বসানোর অনুরোধ জানানো হবে।

লোড পরিবর্তন

  • নতুন সংযোগের ন্যায় নির্ধারিত ফি জমা প্রদান পূর্বক আবেদন করতে হবে।
  • লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারের হিসাবে অতিরিক্ত জামানত প্রদান করতে হবে।
  • অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/ মিটার বদলানো/ মিটার রুম ইত্যাদির প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

 

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতি

গ্রাহক ক্রয়সূত্রে/ ওয়ারিশ সূত্রে/ লিজ সূত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপিসহ নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা করে আবেদন করতে হবে। সরেজমিনে তদন্ত করে নাম পরিবর্তনের জন্য বিদ্যমান হারে জামানত বিল প্রদান করা হবে। গ্রাহক জামানত বাবদ উক্ত বিল নির্ধারিত ব্যাংকের বুথ/শাখা/দপ্তরে পরিশোধ করে তার রসিদ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিলে নাম পরিবর্তন কার্যকর করা হবে। পূর্ববর্র্তী গ্রাহকের সাথে পরবর্তী গ্রাহকের সম্পত্তিসহ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জামানত সমন্বয় হবে।

 

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়

  • সান্ধ্য পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।
  • সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঝামেলা এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং সারচার্জ পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।
  • বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহার করুন।
  • টিউব লাইটে Electronic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।
  • বিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারে ভূমিকা রাখুন।
  • বছরান্তে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ/ ই,এস,ইউ হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের/বকেয়ার প্রমাণপত্র প্রদান করা হয়।
  • মিটারের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আপনার। এর সঠিক ও সুষ্ঠু অবস্থা এবং সীল সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
  • বিউবো’র আওতাধীন এলাকায় লোড শেডিং সংক্রান্ত তথ্য সংশিষ্ট এলাকার কন্ট্রোল রুম/অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।
  • বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে নিবৃত রাখুন। বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য “গ্রাহক সেবা কেন্দ্র/ অভিযোগ কেন্দ্র”-এ অবহিত করে সহযোগিতা করা আপনার দায়িত্ব।
  • ট্রান্সফরমার চুরি রোধে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করুন।
  • অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটারে হস্তক্ষেপ, বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।

 

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি, জামানতের পরিমান ও বিবিধ চার্জ সমূহ

বিদ্যুৎ সম্পর্কিত বিবিধ সেবার বিবরণ

গ্রাহক শ্রেণী/প্রযোজ্যতা

ফি/চার্জ (টাকা)

নতুন সংযোগের আবেদন ফি

(প্রতিটি মিটারের জন্য)

এলটি (আবাসিক,সেচ,ক্ষুদ্র শিল্প, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, রাস্তার বাতি, বাণিজ্যিক)

ক) এক ফেজ

১০০.০০

খ) তিন ফেজ

৩০০.০০

এমটি এবং এইচটি (বৃহৎ শিল্প)

১০০০.০০

ইএইচটি

২০০০.০০

অস্থায়ী সংযোগের আবেদন ফি

এলটি

ক) এক ফেজ

২৫০.০০

খ) তিন ফেজ

৫০০.০০

 এমটি

১০০০.০০

নিরাপত্তা জামানত

এলটি - এবং এলটি - বি

কি. ও. পর্যন্ত

৪০০.০০

এলটি - এবং এলটি - বি

কি. ও. এর ঊর্ধ্বে

৬০০.০০

এলটি-সি১, এলটি- সি২, এলটি-ডি১, এলটি-ডি২, এলটি-ই, এবং এলটি-টি

সকল

৮০০.০০

এমটি, এইচটি এবং ইএইচটি

সকল

১০০০.০০

বকেয়ার কারণেঃ সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ (DC) চার্জ / পুনঃসংযোগ চার্জ (RC)

এলটি

ক) এক ফেজ 

৬০০.০০

খ) তিন ফেজ

১৫০০.০০

এমটি এবং এইচটি

৬০০০.০০

ইএইচটি

১০০০০.০০

গ্রাহকের অনুরোধে সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ চার্জ (DC) / পুনঃসংযোগ চার্জ (RC)

এলটি

ক) এক ফেজ

২০০.০০

খ) তিন ফেজ

৪০০.০০

এমটি এবং এইচটি

১০০০.০০

ইএইচটি

২০০০.০০

গ্রাহকের অনুরোধে

মিটার পরীক্ষা চার্জ

এলটি

ক) এক ফেজ

২০০.০০

খ) তিন ফেজ

৪০০.০০

গ) এলটিসিটি

৬০০.০০

এমটি এবং এইচটি

১০০০.০০

ইএইচটি

২০০০.০০

গ্রাহকের অনুরোধে গ্রাহক আঙ্গিনায় মিটার পরিদর্শন চার্জ

এলটি

ক) এক ফেজ

১৫০.০০

খ) তিন ফেজ

৩০০.০০

গ) এলটিসিটি

৫০০.০০

এমটি এবং এইচটি

১০০০.০০

ইএইচটি

২০০০.০০

জরুরী প্রয়োজনে ট্রান্সফরমার ভাড়া (সর্বোচ্চ ১৫ দিন, তবে বিশেষ বিবেচনায় দ্বিগুণ হারে ৩০ দিন)

১১ কেভি ট্রান্সফরমার, ড্রপ আউট ফিউজ কাটআউট সহ

৩০০.০০/দিন

৩৩ কেভি ট্রান্সফরমার, ড্রপ আউট ফিউজ কাটআউট সহ

৬০০.০০/দিন

 

বিদ্যুৎ আইনের (Electricity Act, 1910 & As Amended The Electiricity (Amendment) Act.2006 , ৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রে নুন্যতম ১ বছর হতে ৩ বছর পর্যন্ত জেল এবঙ ১০ হাজার টাকা পরিমানা বিধান আছে। তাছাড়া, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্যের ৩ গুন হারে (পেনাল হারে) বিল ও ক্ষতিগ্রস্ত মামালের মূল্য আদায় করা হবে।

ছবি


সংযুক্তি

সিটিজেন চার্টার সিটিজেন চার্টার



Share with :
Facebook Twitter