Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

 

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

 

 

গ্রাহক সেবা নির্দেশিকা

 

 

বিভাগ/ই.এস,ইউ এর নামঃ বিতরন বিভাগ,বিউবো, কক্সবাজার।

ঠিকানাঃ মোটেল রোড

 

টেলিফোন নম্বর সমূহঃ

 

ôদপ্তর প্রধানঃ ০৩৪১-৬৩৪৯৬

ôঅভিযোগ কেন্দ্রঃ ০৩৪১-৬৪০১৫

ôগ্রাহক সেবা কেন্দ্রঃ ......................

ôফ্যাক্স নং- ০৩৪১-৬৪০৭৬

ôই-মেইল নং- pdbcoxb@yahoo.com

ôওয়েব সাইটঃ www.bpdb.gov.bd

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
 

বিদ্যুৎ ব্যবহারের মিতব্যয়ী হোন

অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

 

 

 

 

 

 

গ্রাহকের জ্ঞাতব্য বিষয়

 

   সান্ধ্যা পিক-আওয়ারে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সাশ্রয়ী হোন। আপনার সাশ্রয়কৃত বিদ্যুৎ অন্যকে আলো জ্বালাতে সহায়তা করবে।

   

    সংযোগ বিচ্ছিন্নতা এড়াতে নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করুন এবং সারচার্জ পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকুন।

 

   ôবিদ্যুৎ বিলসাশ্রয়কল্পে মানসম্মত এনার্জি সেভিং বাল্ব (CFL)ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহার করুন

 

   ôটিউব লাইন Electonic Ballast ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন।

 

   ôবিদ্যুৎ একটি মূল্যবান জাতীয় সম্পদ। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এই সম্পদের সুষ্ঠু ও পরিমিত ব্যবহারের ভূমিকা রাখুন।

 

   ôবছরান্তে বিক্রয় ও বিতরন বিভাগ/ই,এস,ইউ হতে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের/বকেয়ার প্রমানপত্র প্রদান করা হয়ে থাকে।

 

    ôমিটার রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্ব আপনার এর সঠিকসুষ্ঠু অবস্থা ও সীলসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

 

    ôলোড সেডিং সংক্রান্ত তথ্য সংস্থা সমূহের ওয়েব সাইট থেকে জানা যাবে। যদি কোন কারনে ওয়েব সাইটে থেকে তথ্য না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট      এলাকার আওতাধীন কন্ট্রোল রুম/অভিযোগ কেন্দ্র থেকে জানা যাবে।

 

    ôসকল এনালগ মিটারকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল মিটার দ্বারা প্রতিস্থাপন করতে হবে।

 

    ôবিদ্যুৎ চুরি ও অবৈধ ব্যবহার থেকে নিজে বিরত থাকুন ও অন্যকে বিতরন রাখুন। বিদ্যুৎ চুরি ও এর অবৈধ ব্যবহার রোধে আপনার জ্ঞাত তথ্য ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র/অভিযোগ কেন্দ্র’’ এ অবহিত করে সহযোগীতা করা আপনার দায়িত্ব।

 

   ôইদানিয় একটি সংঘবদ্ধ অসাধু চক্র চালু লাইন হতে ট্রান্সফরমার/বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি/তার চুরির সাথে জড়িত। এমতাবস্থায় আপনার এলাকায় বর্ণিত অনাকাংখিত ঘটনা পরিহারে/চুরি রোধে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ অফিস এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগীতা করুন।

 

আবাসিক গ্রাহক শ্রেণীতে বিলিং মাসে ৩০১ ইউনিট বা তদুদ্ধে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহক যে ধাপ পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন সেই ধাপের মুল্যহার ব্যবহৃত সমুদয় ইউনিটের ওপর প্রয়োজন হবে।

 

সকল গ্রাহক শ্রেণীর ক্ষেত্রে এককালীন ৫% হারে বিলম্ব পরিশোধ মাশুল প্রযোজ্য হবে। বিলম্ব মাশুলের উপর আর কোন মাশুল প্রযোজ্য হবে না।

 

উপরোক্ত বিদ্যুতের মূল্য হারের সাথে নুন্যতম চার্জ, সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য শর্তাবলীসহ মূল্য সংযোজন কর যথারীতি প্রযোজ্য হবে। বিদ্যুতের মূল্য হার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত এবং পরিবর্তনযোগ্য।

 

ôপিক সময়ঃ বিকাল ৫ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত

ôঅফ-পিক সময়ঃ রাত ১১ টা থেকে পরদিন বিকাল ৫টা পর্যন্ত

 

 

 

 

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)

 

বিদ্যুতের উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরনের শুরু দায়িত্ব নিয়ে এক সমন্তিত শক্তিরূপে ১৯৭২ সালের ১ মে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। তৎকালীন ওয়াটার এন্ড পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট (ওয়াপদ) বিভক্ত হয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে (ধারা ৫৯) এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।

 

গত চার দশক ধরে বাংলাদেশের জনগনের সেবায় নিয়েজিত এই প্রতিষ্ঠানটি তার উৎপাদন ক্ষমতা ১৯৭২ সালের মাত্র ২০০ মেগাওয়াট থেকে আজকের ৭৬০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করেছে। একই সাথে যুক্ত করেছে বহুমুখী গ্রাহক সেবা। বর্তমান সময় পর্যন্ত বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা দায়িয়েছে ২২ লাখ বিকাশের ক্রমপর্যায়ে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ এবং দায় দায়িতবেত্ম  সংযোজন বিয়োজনের ধারায় বিউবো বিদ্যুৎ উৎপাদন সঞ্চলন ও বিতরন ব্যবস্থার কিংদংশ কয়েকটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান যেমন REB BPDC, DESCO PGCB APSCL WZPDCL EGCB NWPGCL RPCL এর নিকট হস্তান্তরিত হয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা পূরনের লক্ষ্যে বিউবো বিদ্যুৎ উৎপাদন কষমতা সম্প্রসারনের ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। বর্তমানে উৎপাদন ক্ষমতা ৭৬০০ মেগাওয়াট। ২০১৬ সাল নাগাদ বিউবো আরও ১৩.১৫৮ মেগাওয়াট নতুন উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ২৪,০০০ মেগাওয়াট এবং ২০৩০ সালে সম্ভ্যাব্য উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ৩৯,০০০ ওেয়াট।

 

বিপিডিবি’র বর্তমান কার্যক্রম

 

ôএকক  ক্রেতা হিসাবে বিদ্যুতের ক্রয় ও বিক্রয়।

    সরকারী এবং বেসরকারী উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়।

--বিদ্যুৎ সংস্থার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রয়।

--স্বল্প ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা প্রণয়ন।

-- উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনার সাথে সাথে নতুন বিদ্যৎ উৎপাদন প্রকল্পের বাস্তবায়ন।

ôবিদ্যুৎ উৎপাদন।

 

ôREB BPDC DESO WZPDCL এর ভৌঘলিক এলাকা ব্যতীত দেশের অন্যন্য অংশে বিউবো বিতরন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

গ্রাহক সেবা কেন্দ্র

বিদ্যুৎ সরবরাহ দপ্তরের ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এর নতুন সংযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট/ বিল মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, পরিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

 

নতুন সংযোগ গ্রহন

‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এবং বিউবো’র ওয়েব সাইটে নতুন সংযোগের আবেদন পাওয়া যাবে।

ôআবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে নির্ধারিত আবেদন ফি নির্দিষ্ট ব্যাংক বুথা/শাখা অথবা ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ এ জমা করলে আপনাকে একটি নিবন্ধন নম্বরসহ পরবর্তী আগমনের তারখ জানানো হবে।

 

ôপরবর্তী আগমেরন তারিখ যোগাযোগ করা হলে আপনাকে নোট ও প্রাক্কলন ইস্যু করা হবে। ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন ব্যাংক বুধ/নির্ধারিত ব্যাংক শাখায় ডিমান্ড নোটেল উল্লেখিত টাকা জসাপূর্বক জমা রশিদ গ্রহন করিলে সংযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে। এক ফেজ সংযোগের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত ডিজিটাল মিটার করে গ্রাহক জমা দিবেন। ত্রি-ফেইজ সংযোগের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক বিভাগীয়ভাবে মিটার সরবরাহ কর হবে। যদি সংযোগ প্রদান সম্ভবপর না হয় তবে তার কারণ জানিয়ে আপনাকে একটি পত্র দেওযা হবে।

বিল সংক্রান্ত অভিযোগ

বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ অতিরিক্ত বিল, চলতি মাসের বিল না পাওয়া ইত্যাদির জন্য ‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’-এ যোগাযোগ করলে সম্ভব হলে তাহ তাৎক্ষনিকভাবে নিস্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নাম্বার দেওয়া হবে এবং পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে উক্ত নাম্বার উল্লেখ পূর্বক যোগাযোগ করলে অভিযোগ নিস্পত্তির সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

 

বিল পরিশোধ

ô‘‘ গ্রাহক সেবা কেন্দ্র’’ সংলগ্ন ব্যাংক বুধ/নির্ধারিত ব্যাংক-এ গ্রাহক বিল পরিশোধ করিতে পারিবেন।

ôপ্রি-পেমেন্ট মিটারিং এর আওতাভূক্ত এলাকায় ডেভিং-সেন্টার গিয়েCardl key No. সহ স্লিপ সংগ্রহের মাধ্যমে  বিল পরিশোধ করা যাবে।

ôইলেকট্রিক লি পে-Point of Sale (POS) এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যাবে।

ôSMS এর মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা যাবে।

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

বিদ্যুৎ সরবরাহ ইউনিটের নিদিষ্ট অভিযোগ কেন্দ্র অথবা ‘‘ গ্রাহক সেবা  কেন্দ্র’’-এ আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনার অভিযোগ নম্বর জানিয়ে দেয়া হবে। অভিযোগ নাম্বারের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারন অপসারণপূর্বক বিদ্যুতের স্বাভাবিক ফিরেয়ে আনা হবে।

 

নতুন নংযোগের জন্য দলিলাদি

নুতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

ôসংযোগ গ্রহনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি

ôজমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িতি কপি

ôসিটি কর্পোরেশন/নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ/ পৌরসভা/ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর অনুমোদিত সত্যায়িত নক্সা/ পৌরসভা/ স্থানীয় কর্তৃক নামজারীর হোল্ডিং নম্বর এর সত্যায়িত কপি।

ôলোড চাহিদার পরিমান।

ôজমি/ভবনের ভাড়ার (যদি প্রযোজ্য হয়) দলিল।

ôভাড়ার ক্ষেত্রে মালিকের সম্মতি পত্রের দলিল।

ôপূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরণ ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

ôঅস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

ôট্রেড লাইসেন্স।

ôসংযোগ স্থানের নির্দেশক নকশা।

ôশিল্প প্রতিষ্টান স্থাপনের নিমিত্ত যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

ôসার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১০০ ফুটের বিশী হবে না।

ôবহুতল আবাসিক/বাণিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্লাট মালিকের চুক্তিনামা কপি।

ôসোলার প্যানেল স্থাপনের সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

৫০ কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরো যে দলিলাদি দাখিল করতে হবে।

ôসিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা অথবা সংশ্লিষ্ট হাউজিং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বাড়ীর নক্সায় (সত্যায়িত কপি) উপকেন্দ্রের লে-আউট প্লান।

ôসিঙ্গেল লাইন ওয়াগ্রাম।

ôউপকেন্দ্র স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন টেষ্ট রেজল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর থেকে উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র।

ôমিটারিং কক্ষের নকশা অবশ্যই বিউবো’র অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী হতে হবে, যা সংশ্লিষ্ট এনার্জি অডিটিং ইউনিট ডিভিশন কর্তৃক নিশ্চয়তা করতে হবে।

 

২ কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে নিজ নিম্নোক্ত হারে সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

ô২ কিঃ ওঃ এর অধিক লোড সম্পন্ন আবাসিক গ্রাহকগনকে মোট চাহিদার ৩% লোডের জন্য সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

ô৫০ কিঃওঃ পর্যন্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র লাইন ও ফ্যান লোডের ৭%, ৫০ কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে লোড বরাদ্দ প্রাপ্ত গ্রাহকদের  লাইট ও ফ্যান লোডের ১০% এবং পোষাক শিল্পের জন্য লাইট ফ্যান লোডের ৫% এর জন্য সোলার প্যানেল স্থাপন করতে হবে।

ôবিদ্যমান গ্রাহকগন যারা বরাদ্দকৃত লোড বৃদ্ধি করতে চান তাদেরকেও সমুদয় লাইট ও ফ্যান লোডের উপর উল্লেখিত হারে সোলার প্যানেল স্থাপন করিতে হইবে।

 

শিল্প-কারখানা ও ১০ তলার অধিক ভবনের সংযোগের জন্য গ্রাহক আরও যে দলিলাদি দাখিল করিতে হইবে।

ôপরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

ôফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফিঃ

ôসিঙ্গেল ফেইজ (২-তার) ২৩০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ১৫.০০ টাকা।

ôথ্রি-ফেইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ১৫.০০ টাকা।

ôথ্রি-ফেইজ (৩-তার) ১১০০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য ২৫০.০০ টাকা

ôঅস্থায়ী (২-তার) ২৩০/(৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সংযোগের জন্য

২৫০.০ টাকা।

ô৩৩,০০০ ভোল্ট ১৩২,০০০ ভোল্টের নতুন সংযোগের জন্য ৫০০.০০ টাকা।

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমান

ôসিংগেল ফেইজ (২-তার) ২৩০ ভোল্ট আবাসিক ও বাণিজ্যিক এর ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ৩৭৫.০০ টাকা।

ôত্রি-ফইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের লোডের জন্য ৫৫০.০০ টাকা।

ôত্রি-ফেইজ (৪-তার) ৪০০ ভোল্ট সেচ, অনাবাসিক ক্ষুদ্রশিল্প সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোয়াটর লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা।

ôথ্রি-ফেইজ (৩-তার) ১১০০০ ভোল্ট সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোওয়াট লোডের জন্য ৬০০.০০ টাকা।

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগঃ-

সমাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম এবং নির্মাণ কাজের নিমিত্তে স্বল্পকালীন সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহন করা যাবে। সেক্ষেত্রে ২৩০/৪০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মূল্যহার শ্রেণী-ই এর জন্য প্রযোজ্য মূল্যহার ২ দ্বারা গুন করতে হবে। ১১ কেভি ও ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য মূল্যহার সংশ্লিষ্ট শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য মূল্যহারকে ২ দ্বারা গুন করতে হবে। ডিমান্ড চার্জ ও সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য শ্রেণীর দ্বিগুন হবে।

লোড পরিবর্তনঃ-

নতুন পরিবর্তন ফি প্রদান করতে হবে।

চুক্তি পরিবর্তন ফি ১৫০.০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

লোড বৃদ্ধির জণ্য প্রযোজ্য অনুযায়ী কিলোওয়াট প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে। অতিরিক্ত লোডের সার্ভিস তার/মিটার বদলানোর প্রযোজন হলেউক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

গ্রাহকের নাম পরিবর্তন পদ্ধতিঃ-

গ্রাহক ক্রয়সুত্রে/ওয়ারিশ সুত্রে/ লিজসুত্রে জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি ও সর্বশেষ পরিশোধের বিলের ফটো কপিসহ নির্ধারিত ফি ব্যাংকে জমা করে আবেদন করতে হবে।

 

অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার, মিটারে হস্তক্ষেপ, বাইপাস, বিনা অনুমতিতে সংযোগ গ্রহণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থাঃ

 

বিদ্যুৎ আইনের (Electricity Act, 1910 & As Amended The Electiricity (Amendment) Act.2006 , ৩৯ ধারা অনুসারে এ ক্ষেত্রে নুন্যতম ১ বছর হতে ৩ বছর পর্যন্ত জেল এবঙ ১০ হাজার টাকা পরিমানা বিধান আছে। তাছাড়া, অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্যের ৩ গুন হারে (পেনাল হারে) বিল ও ক্ষতিগ্রস্ত মামালের মূল্য আদায় করা হবে।